জনপ্রশাসন পদক-২০১৬ (ব্যক্তিগত)

পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম : ড. রহিমা খাতুন, উপপরিচালক, বিসিএস (প্রশাসন) একাডেমি, শাহবাগ, ঢাকা (সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী)।

প্রকল্প/অবদান : তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল কার্যক্রম।

ড. রহিমা খাতুন ২০১৩ সালের ২০ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে সোনাইমুড়ী, নোয়াখালীতে যোগদান করেন। সরকারি সেবা প্রদানে তিনি তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্যোগী হন। তাঁর উদ্যোগে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য সোনইমুড়ী উপজেলা বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, অফিসে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়েছে ও গুরুত্বপূর্ণৃ সভা-সেমিনার অনলাইনে প্রচার করা হচ্ছে। যোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য তিনি উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্কুল-কলেজের শিক্ষকবৃন্দকে ৫০০টি কর্পোরেট মোবাইল সিম প্রদান করে মোবাইল অ্যাপস সংযোজন করেছেন। তাঁর এসকল যুগোপযোগী ও জনবান্ধব উদ্যোগ দ্রুত নাগরিক সেবা প্রদানে অবদান রেখেছে। ড. রহিমা জনসাধারণকে সচেতন করার লক্ষ্যে  ঝড়হধরসঁৎর গড়নরষব পড়ঁৎঃ ঋধপবনড়ড়শ চধমব খোলার ব্যবস্থা করেন। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ গ্রহণ এবং তা নিষ্পত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়। তাঁর উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের অর্থিক সহায়তায় ৬টি প্রাথমিক ৫টি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১টি মাদ্রাসাসহ ১২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) শিক্ষার্থীর জন্য প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে ৪ দিন মিড-ডে মিল চালু করা হয়। খাবার হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে সবজি, খিচুড়ি, ডিম, পায়েস দেওয়া হচ্ছে। পরে আরও ২৩টি স্কুলে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়। এর ফলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃ্িদ্ধ ও তাদের পুষ্টিহীনতা দূর হচ্ছে, যা প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে প্রশংসনীয় কর্মতৎপরতা ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় ড. রহিমা খাতুনকে জনপ্রশাসন পদক ২০১৬ প্রদান করা হয়।

Events


Feedback

Copyright © 2017. All Rights reserved. Developed by Orangebd